
ছবি সংগৃহীত
ঢাকা, মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬):
রাজধানীর জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় আজ এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার সদস্যরা শপথ গ্রহণ করেছেন। এর মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন সরকারের যাত্রা শুরু হলো।
অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ শাহাবুদ্দিন নবনিযুক্ত প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীদের শপথ বাক্য পাঠ করান। শপথ অনুষ্ঠানে সংসদ সদস্য, বিচারপতি, তিন বাহিনীর প্রধান, ঊর্ধ্বতন সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তাসহ দেশি-বিদেশি অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ
নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের সমর্থনে সরকার গঠন করে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন তারেক রহমান। শপথ শেষে তিনি দেশের উন্নয়ন, গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রা ও জনগণের প্রত্যাশা পূরণের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, “জনগণের ভোট ও আস্থার মর্যাদা রক্ষা করে আমরা একটি জবাবদিহিমূলক ও কল্যাণমুখী রাষ্ট্র পরিচালনায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”
মন্ত্রিসভার গঠন
নতুন মন্ত্রিসভায় পূর্ণমন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী মিলিয়ে মোট কয়েকজন সদস্য শপথ গ্রহণ করেন। অর্থ, স্বরাষ্ট্র, পররাষ্ট্র, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, শিল্প ও স্থানীয় সরকারসহ গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব বণ্টন করা হয়েছে। শিগগিরই মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে দপ্তর বণ্টনের গেজেট প্রকাশ করা হবে বলে জানা গেছে।

শপথ অনুষ্ঠানের স্থান ও গুরুত্ব
ঐতিহাসিক জাতীয় সংসদ ভবন প্রাঙ্গণে আয়োজিত এই শপথ অনুষ্ঠানকে ঘিরে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। পুরো এলাকা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর নজরদারিতে রাখা হয়।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নতুন সরকারের সামনে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং প্রশাসনিক সংস্কার বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে থাকবে।
প্রতিক্রিয়াঃ
শপথ অনুষ্ঠানের পর বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা নতুন সরকারের প্রতি শুভেচ্ছা জানান। একই সঙ্গে বিরোধী দল গণতান্ত্রিক চর্চা ও কার্যকর সংসদীয় ভূমিকা নিশ্চিত করার আহ্বান জানায়।
নতুন মন্ত্রিসভার শপথ গ্রহণের মধ্য দিয়ে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো। এখন জনগণের দৃষ্টি থাকবে—সরকার কত দ্রুত প্রতিশ্রুত উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করতে পারে।